ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামী, মুসলমানদের সর্ববৃহৎ সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হলেন মাওলানা মাহমুদ আসআ'দ মাদানী সাহেব।
ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামী, মুসলমানদের সর্ববৃহৎ সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হলেন মাওলানা মাহমুদ আসআ'দ মাদানী সাহেব।
ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামী, মুসলমানদের সর্ববৃহৎ সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হলেন মাওলানা মাহমুদ আসআ'দ মাদানী সাহেব।জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের আশা– আফগানিস্তানের নতুন শাসকরা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করবে
উম্মাহ টাইমস নিউজ ব্যুরো:-গতকাল জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দ-এর প্রধান কার্যালয়ে মুফতি কিফায়াতুল্লাহ হলে জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দ-এর সভাপতি মাওলানা মাহমুদ আসাদ মাদানি সাহেবের সভাপতিত্বে কার্যনির্বাহী কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কৃষকদের আন্দোলনের পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও সামাজিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দ-এর সভাপতির জন্য মাওলানা মাহমুদ আসাদ মাদানীর নাম সর্বসম্মতভাবে ২১ টি রাজ্যের ওয়ার্কিং কমিটি প্রস্তাব করেছে, যা জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দ-এর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাকিমুদ্দিন কাসমি উপস্থাপন করেছিলেন । কার্যকরী কমিটি পরবর্তী মেয়াদে সভাপতি পদে মাওলানা মাহমুদ মাদানীর নাম অনুমোদন ও সীলমোহর করে, এরপর মাওলানা মাদানী প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেন এবং সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এদিনের সভায় দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম তথা শাইখুল হাদীস হযরত মাওলানা মুফতী আবুল কাশেম নোমানী সাহেব, বিশ্বের অন্যতম পীর আল্লামা জুলফিকার আহমদ নকশবন্দী সাহেবের অন্যতম খলিফা তথা দারুল উলুম দেওবন্দের স্বনামধন্য শিক্ষক হযরত মাওলানা সালমান বিজনোরী সাহেব, নায়েবে আমীরুল হিন্দ মুফতী সালমান মনসুরপুরী সাহেব, মাওলানা হাকিমুদ্দীন কাসেমী, মাওলানা সিদ্দীকুল্লাহ চৌধুরী, মাওলানা রহমতুল্লাহ কাশ্মীরী, মুফতী মুহাম্মদ রাশিদ আজমী, মাওলানা শাওকাত আলী, মুফতী জাভেদ ইকবাল, মুফতী আফফান মনসুরপুরী প্রমুখ দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের প্রস্তাবে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মাওলানা মাহমুদ আসআ'দ মাদানী সাহেব।
তানিবানদের উচিত মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা মাহমুদ মাদানি শনিবার এ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন– তারা আশা করে যে তালিবানরা আফগান জনগণের মানবাধিকারকে সম্মান করবে এবং নিশ্চিত করবে যে আফগানিস্তানকে কোন জাতি বা অন্য দেশকে টার্গেট করার জন্য ব্যবহার করতে দেবে না। এক বিবৃতি জারি করে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের কার্যনির্বাহী কমিটি আশা প্রকাশ করে– দেশের বর্তমান ‘তালিবান’ কর্মকর্তারা– যারা দেশকে বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং বিদেশি শক্তির উপস্থিতি থেকে মুক্ত করেছেন কয়েক দশকের সংগ্রাম এবং বিশাল ত্যাগের পর– তারা মানুষের মানবাধিকারকে ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে সম্মান করবে এবং নবী সা.-এর ঐতিহ্য মেনে দেশ শাসন করবে।
জমিয়ত এটাও আশা করে যে আফগানিস্তানের নতুন শাসকরা সব দেশের সঙ্গে– বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করবে এবং তারা তাদের মাটি কোনও দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেবে না। নতুন আফগানিস্তান তৈরিতে তারা সবার সাহায্য নেবে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন